ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী, উখিয়া-কক্সবাজার থেকে : বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি সচেতন হলেও প্রধান প্রধান শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষকে ধুমপানে বাধ্য করাচ্ছেন বিভিন্ন ট্যোবাকো কোম্পানির হাজার হাজার কর্মী। এসব কর্মীরা বিভিন্ন লোভ-লালসার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষ সহ স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ধুমপানের মত বিষ পান ধরিয়ে দিয়ে জীবন বিপন্ন করার পায়ঁতারা চালিয়ে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা ছাত্র/ছাত্রী সহ বিভিন্ন মেধাবীরা রেহায় পাচ্ছে না ট্যোবাকো কোম্পানীর সিগারেট বিক্রেতার হাত থেকে। তারা বিনা মূল্যে সিগারেট সরবরাহ দিয়ে গণহারে মানুষকে ধুমপানের প্রতি আকৃষ্ট করার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটালেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের খাম-খেয়ালিপনার কারণে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি এখনও। এতে আইনের শাসনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। সরকার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিবেচনায় এনে ধুমপান নিয়ন্ত্রন আইন করলেও এ আইনের কোন বাস্তবায়ন ও কার্যকারীতা নেই বললেই চলে। যার দরুন অসংখ্য অভিভাবক আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। সরজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, কিছু অসাধু ট্যোবাকো কোম্পানীর কর্মচারীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধুমপানের মত বিষ সিগারেট বিক্রির প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে ঐ প্রতিষ্ঠানের অধীনে হাটে-বাজারে মেরি, সানমুন, গোল্ডলিপ, গোল্ডেন হিল, মেরিস, বেনসন, আবুল বিড়ি, আকিজ বিড়ি, উইলসন, ষ্টার সহ বিভিন্ন তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির এলাকা থেকে কর্মী নিয়োগ ধুমপানের প্রচার-প্রসার বৃদ্ধি করে আসছে। ঐসব কর্মীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা বিভিন্ন হাট-বাজারে ও গ্রামে গঞ্জে চষে বেড়াচ্ছে। তাদের টার্গেট হচ্ছে বিনা মূল্যে সিগারেট ঐ ব্রান্ডের সিগারেটের প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করা এবং নতুন ধুমপায়ী সৃষ্টি করে দেশ ধ্বংসের অতল তলে ডুবিয়ে দেয়া। যাদের নিয়ে দেশ সূখী সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখে এমন আগামী দিনের কর্ণধার মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী ও যুব সমাজকে ধুমপানে আসক্ত করালেও সরকার যথাযথ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যার ফলে হাজার হাজার মেধাবী মূখ ধুমপানের মত বিষপানে আসক্ত হয়ে অকালে ঝরে যাচ্ছে।
এ কেমন সরকার! ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ধুমপান বিষপান বলে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল প্রচার করে আবার তামাকজাত দ্রব্য ও বিভিন্ন ধুমপানের মত বিষপানের বিভিন্ন ট্যোবাকো কোম্পানীর বিড়ি, সিগারেট ও তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদনের বৈধতার লাইসেন্স দেয় । যার কারণে মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্য কোম্পানী বেপরোয়া ভাবে গড়ে উঠে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চষে বেড়িয়ে দেশকে ধ্বংসের মূখে ধাবিত করছে। এতে কি সরকার দায়ী নয়? সরকার যদি ধুমপান, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের মত বিষপান প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আইন প্রয়োগ করে তাহলে ঐ সব মরণ নেশা বিষপানের লাইসেন্স দেয় কেন ? নিশ্চয়ই তাদের কাছে সরকার দূর্বল এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। তাই দেশ ও জাতীর স্বার্থে দেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে এসব অবৈধ মরণনেশা তামাকজাত দ্রব্য ও অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হলে তামাক ও মাদকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এবং জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন হবে এমন প্রত্যা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন